sonargaonpost.com
ঢাকাMonday , 24 July 2023
  1. অপরাধ
  2. অর্থনীতি
  3. আন্তর্জাতিক
  4. ইসলামিক
  5. এক্সক্লুসিভ
  6. খেলা-ধূলা
  7. চাকুরি
  8. ট্যুরিজম
  9. দূর্ঘটনা
  10. পড়াশোনা
  11. প্রবাস
  12. ফিচার
  13. বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
  14. বিনোদন
  15. রাজনীতি
 
আজকের সর্বশেষ সবখবর

তৈরি পোশাকের রপ্তানি বেড়েছে ১০ শতাংশ

Editor: মোহাম্মদ শাহাদাৎ হোসেন সুমন
admin
July 24, 2023 8:23 am
Link Copied!

রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ শুরুর পর পূর্ণাঙ্গ একটি অর্থবছর শেষ হলো গত জুনে। সরকারি হিসাবে, এই সময়ে তৈরি পোশাকের রপ্তানি বেড়েছে ১০ শতাংশ। অথচ ক্রয়াদেশ কমেছে, অধিকাংশ কারখানার ২০-৩০ শতাংশ উৎপাদন সক্ষমতা অব্যবহৃত। ফলে রপ্তানির প্রবৃদ্ধির সঙ্গে বাস্তবতার মিল খুঁজে পাচ্ছেন না তৈরি পোশাকশিল্পের উদ্যোক্তারা।

তৈরি পোশাকশিল্পের বেশ কিছু বড়-মাঝারি প্রতিষ্ঠান ইউনাইটেড কমার্শিয়াল ব্যাংকের (ইউসিবি) গ্রাহক। গত ২০২১-২২ অর্থবছরে এই ব্যাংকের মাধ্যমে ৩৫৭ কোটি ডলারের পোশাক রপ্তানি হয়েছে। সদ্য বিদায়ী ২০২২-২৩ অর্থবছরে তাদের রপ্তানি আয় প্রায় ১১ দশমিক ২০ শতাংশ কমে ৩১৭ কোটি ডলারে দাঁড়িয়েছে।

পোশাক ও বস্ত্র খাতে চারটি কারখানা রয়েছে উর্মি গ্রুপের। গ্রুপটি গত বছরের জানুয়ারি-জুন সময়ে প্রায় সাড়ে ৯ কোটি ডলারের পোশাক রপ্তানি করে। চলতি বছরের প্রথম ছয় মাসে রপ্তানি কমে হয়েছে সাড়ে ৮ কোটি ডলার। ফলে অর্থের হিসাবে প্রায় ১ কোটি ডলার বা প্রায় ১০০ কোটি টাকার বেশি রপ্তানি হারিয়েছে গ্রুপটি।

এই যখন অবস্থা, তখন অর্থাৎ চলতি মাসের গোড়ার দিকে রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো (ইপিবি) জানিয়েছে, ২০২২-২৩ অর্থবছরে ৫ হাজার ৫৫৬ কোটি ডলারের পণ্য রপ্তানি হয়েছে। তার মধ্যে ৮৪ দশমিক ৫৭ শতাংশ অথবা ৪ হাজার ৬৯৯ কোটি ডলার এসেছে তৈরি পোশাক খাত থেকে। সামগ্রিকভাবে পণ্য রপ্তানিতে প্রবৃদ্ধি হয়েছে ৬ দশমিক ৬৭ শতাংশ। এর আগের অর্থবছরে এই প্রবৃদ্ধি ছিল ৩৪ শতাংশ। ইপিবির তথ্যানুযায়ী, বিদায়ী অর্থবছরে শীর্ষ ছয় খাতের মধ্যে শুধু তৈরি পোশাকের রপ্তানি বেড়েছে।

কয়েক মাস ধরেই পোশাকশিল্পের উদ্যোক্তাদের কেউ প্রকাশ্যে, কেউবা ব্যক্তিগতভাবে তৈরি পোশাকের রপ্তানির পরিসংখ্যান নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করে আসছেন। তাঁদের যুক্তি, রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ শুরুর পর যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের দেশগুলোতে মূল্যস্ফীতি বেড়ে যায়, ফলে ক্রেতারা প্রয়োজনীয় নয় এমন পণ্য কেনা কমিয়ে দেন। তাতে কমে যায় পোশাকের বিক্রিও। আবার গত বছরের শেষ দিকে অধিকাংশ কারখানা ২০-৩০ শতাংশ কম উৎপাদন সক্ষমতায় চলছে। গ্যাস-বিদ্যুতের কারণেও উৎপাদন কম-বেশি ব্যাহত হয়েছে।